জয় রাম ।
আজকের শুভ নবমী তিথিতে আমাদের আরাধ্য দেবতা শ্রীশ্রী রামঠাকুর , ত্রেতাযুগে অযোধ্যার রাজা দশরথ জীর রাজপ্রাসাদে " রামচন্দ্র " নামে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন এবং তিনিই কলিযুগে কার্তিকপুরের ডিঙ্গামানিক গ্রামে মাঘ শুক্ল দশমী তিথিতে রাধামাধব চক্রবর্ত্তী মহাশয়ের ঘরে " রামচন্দ্র " নামে জন্ম গ্রহণ করেছেন ।
সকল গুরু ভাইবোনকে জানাই
শুভ রামনবমীর শুভেচ্ছা ।
শ্রী প্রভাত চন্দ্র চক্রবর্ত্তী মশাই ,
শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের শ্রীমুখের বাণী
" জন্ম তো একবারই হয়---
সেই বৃন্দাবন হইতে একই আছি "
এটি দৃঢ়রূপে বিশ্বাস করতেন ।
সেই বিশ্বাসের কষ্ঠীপাথরে যাচাই করা সত্যটিকে প্রকাশ করেছেন ,
এক অপূর্ব স্তবলহরীতে ।
যুগে যুগে শ্রীশ্রী রাম ঠাকুরই
ত্রেতাযুগে শ্রী রামচন্দ্র রূপে , দ্বাপর যুগে শ্রীকৃষ্ণ রূপে ,
ও কলিযুগে শ্রী গৌরাঙ্গ দেব রূপে আবির্ভূত
হয়েছেন প্রয়োজন অনুযায়ী ।
ত্রেতাযুগে রাবণ বধের জন্য শ্রীরাম রূপে ,
দ্বাপরযুগে কংস বধের জন্য শ্রীকৃষ্ণ রূপে ,
আর কলিযুগে "নাম "এর মাধ্যমে কলিহত জীব উদ্ধারের
জন্য ভ্রাতৃরূপে ,
বন্ধুরূপে সেই ভগবানের আবির্ভাব হইল শ্রীশ্রী রামচন্দ্র রূপে ।
তারই এই আত্ম প্রকাশও বিভিন্ন ভক্তের কাছে হয়েছিল । ভক্তিমথিত কণ্ঠে প্রভাত চক্রবর্ত্তীর স্তোত্রটি সেই ভাবেই
উচ্চারিত হয়েছিল ।
" শ্রীশ্রীরামস্তোত্রম " ।
" জয়রাম "
শ্রীমতী প্রমীলা দত্ত ।
" মহাজীবনের কাহানী "
পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৩ হইতে ।
_____________________________________________
আমি বহুবার আমার বাবার নিকট শুনিয়াছি ,
শ্রী রামঠাকুর বলিয়াছেন ,
আমিই পুরীর জগন্নাথ , আমিই কাশীর বিশ্বনাথ ,
এবার নিয়া আমি চতুর্থবার আসিয়াছি এবং
এই " রাম " নামেই আসিয়াছি ।
শ্রীঠাকুর কখনো কাহাকেও শিষ্য বলিয়া পরিচয়
দেন নাই ।
প্রত্যেক আশ্রিত জনকে তিনি নামের ভিতর দিয়া তাহার অমোঘ শক্তি দিয়া গেছেন ।
এই " নাম " করিতে করিতে কলে সেই শক্তি প্রকাশ পাইবে ।
জয় রাম ।
গুরুদয়াল বসুরায় চৌধুরী ।
শ্রীগুরু রামকৃপাহি কেবলম ।
পৃষ্ঠা সংখ্যা ৭ হইতে ।—
No comments:
Post a Comment