Thursday, 7 August 2025

 

গুরু কে?" ১৪।
গুরু পরমাত্মা,জীব ও প্রকৃতি এই তিনটি বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত,
পরম ব্রহ্ম জ্ঞানে জ্ঞানী হন গুরু,দায়িত্ব নিয়ে করেন উদ্ধার।
'আমি কে?'আমি কোথায় ছিলাম 'এখানে কেন এলাম',আমার কর্ম্ম কি, তারপর কোথায় যাবো এইসব অজ্ঞান অন্ধকারে,
আলোর পথের সন্ধান দেন গুরু শাস্ত্র মন্ত্র ধীশক্তি উপায় প্রদানে।
বেদোজ্বল বুদ্ধি, দেবোজ্বল ভক্তি দিয়ে বিবেকে অধ্যাত্ম যিনি জাগান,
তিনিই গুরু জীবের উদ্ধার কর্তা,ঈশ্বর প্রাণতা করেন ভব পারাপার

🌸 গুরু কে? 🌸

🔹 গুরু পরমাত্মা, জীব ও প্রকৃতির ত্রিবিধ রহস্যের জ্ঞাতা।
🔹 তিনি পরম ব্রহ্মজ্ঞান দ্বারা জ্ঞানী হয়ে জীবের উদ্ধার করেন।
🔹 “আমি কে? কোথায় ছিলাম? কেন এলাম? আমার কর্ম কী? এরপর কোথায় যাব?” — এই অজ্ঞান অন্ধকারের প্রশ্নগুলোর আলোকিত উত্তর দেন গুরু।
🔹 শাস্ত্র, মন্ত্র ও ধীশক্তির মাধ্যমে তিনি দেখান আলোর পথ।
🔹 বেদোজ্বল বুদ্ধি ও দেবোজ্বল ভক্তি দিয়ে তিনি জাগান অন্তরের বিবেক।
🔹 তিনিই জীবের উদ্ধারকর্তা — গুরু, যিনি ঈশ্বরপ্রাণতা দিয়ে করেন ভবপারাপার।

🙏🌼 জয় গুরু 🌼🙏
🌸 গুরু কৃপাহি কেবলম 🌸

#গুরু_তত্ত্ব #SriSriRamthakur #Vedbani #SpiritualWisdom #GuruKripa #JoyGuru #Bhakti #DivineKnowledge #আধ্যাত্মিক_পথ #SanatanDharma #Gurudev #গুরু_কৃপাহি_কেবলম

 
               
  
🔱 ১. মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র
🕉️ “ওঁ ত্র্যম্ভকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টি বর্ধনম্।
উর্বারুকমিব বন্ধনান্ মৃত্যোর্মুক্ষীয় মাঽমৃতাৎ॥”
🌿🙏🕯️
📿 এই মন্ত্র জপ করলে ভয়, রোগ, মৃত্যু ও কষ্ট দূর হয়।
---
🔱 ২. শিব পঞ্চাক্ষরী মন্ত্র
🕉️ “ওঁ নমঃ শিবায়”
🕉️🕉️🔔🌺🕉️
📿 এটি সবচেয়ে সহজ ও পবিত্র শিবমন্ত্র — দৈনিক জপ করুন।
---
🔱 ৩. শিব গায়ত্রী মন্ত্র
🕉️ “ওঁ তৎ পুরুষায় বিদ্মহে মহাদেবায় ধীমহি
তন্নো রুদ্রঃ প্রচোদয়াত্॥”
🌞🔱🕉️🌿🌼
📿 জ্ঞানের আলো ও আধ্যাত্মিক শক্তি পাওয়ার জন্য।
 
 
----#বিষ্ণুপুরাণে বর্ণনা থেকে জানা যায় ৮৪ লক্ষ রকমের জীবযোনির মধ্যে ৮০ লক্ষ জীবযোনি অতিক্রম করার পর মানুষ রূপে জন্মগ্রহণ করে।।🌸🌹🌾🙏🙏
জলজা নবলক্ষাণি স্থাবরা লক্ষবিংশতিঃ🌿
কৃময়ো রুদ্রসংখ্যকাঃ পক্ষিণাং দশলক্ষণম্🌿
ত্রিংশল্লক্ষাণি পশবঃ চতুর্লক্ষাণি মানুষা।।
⛔২০ লক্ষ প্রকার প্রজাতির বৃক্ষ যোনিতে জন্ম হয়। এই যোনিতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়। রৌদ্রের তাপ লাগে, ঝড় বৃষ্টির ফলে ডালপালা ভাঙ্গে। শীতকালে সব পাতা ঝরে যায়, কুঠার বা tree cutter দিয়ে ডালপালা বা গাছটাই কাটা হয়। প্রকৃতি বা মনুষ্য জাতি থেকে আরো অনেক প্রকার কষ্ট পায়।
(তুলসী বৃক্ষ হয়ে জন্মানোর পর বৃক্ষ যোনি থেকে মুক্তি ঘটে)।
⛔তারপর ৯ লক্ষ প্রকার প্রজাতির জলচর যোনিতে জন্ম হয়। হাত নেই, পা নেই শুধু দেহ আর মাথা। তবে মাছেরা সামান্য পাখনা দিয়ে বহু গুন ভারী শরীরটাকে বয়ে বেড়ায়। খায় জলজ কীটপতঙ্গ, আগাছা, শ্যাওলা, নোংরা, পচা মাংস আর যা পায়। একজন অন্যজনের মাংস খেয়ে জীবন রক্ষা করে।
(শঙ্খ রূপে জন্ম এবং ভগবানের পূজা অর্চনায় ব্যবহারের পর জলজ জীব যোনি থেকে মুক্তি ঘটে)।
⛔তারপর ১১ লক্ষ প্রকার প্রজাতির কীটপতঙ্গ যোনিতে জন্ম হয়।
(মৌমাছি রূপে জন্ম এবং তার তৈরি মৌচাকের মধু ভগবানের পূজা অর্চনায় ব্যবহৃত হলে কীটপতঙ্গ যোনি থেকে মুক্তি ঘটে)।
⛔তারপর ১০ লক্ষ প্রকার প্রজাতির সরীসৃপ ও পক্ষী যোনিতে জন্ম হয়। তাদের ঘর বাড়ি নেই। গাছে, ফাঁকফোঁকর, গর্তে, কুঠুরিতে বসবাস করেন। কীটপতঙ্গ, পোকামাকড়, পচা গলা খাবার বা দেহাংশ যা পায় তা খায়। এক প্রজাতি অন্য প্রজাতিকে খায়, কখনও স্বপ্রজাতি স্বপ্রজাতিকে ভক্ষন করে। সাধারনত নিজে না খেয়ে সন্তানকে খাওয়ায়। যখন সন্তান স্বাবলম্বী হয়ে চলাফেরা করতে পারে বা উড়তে পারে, তখন আর ফিরেও তাকায় না। যদি কাক, শকুন বা ঈগল হয়ে জন্মায় তবে অনেক দিন বেঁচে থাকে্ন।
(ডিমের মধ্যে জন্ম হতে হতে ময়ূর রূপে জন্ম এবং তার পালক ভগবানের মাথার চূড়ায় বা তাঁর পূজা অর্চনা বা আরতিতে ব্যবহৃত হলে এই যোনি থেকে উদ্ধার হয়)।
⛔তারপর ৩০ লক্ষ প্রকার প্রজাতির পশু যোনিতে জন্ম হয়। নানা পশু নানা কষ্ট পায়। কোনো পশু হিংস্র পশু দ্বারা আক্রান্ত। কেউ বা লোকালয়ে লুকিয়ে থাকেন। কেউ একে অন্যকে মেরে খায়। কেউবা ঘাস-তৃণ খায়, হাল চষে, গাড়ি টানে। যতো রোগ-শোকই হোক, দিন-রাত মল মূত্রের সাথেই বাস করতে হয়।
(বাঘ, সিংহ, কুকুর, বিড়াল, হায়না, শিয়াল প্রভৃতি জন্ম পার হয়ে গাভী রূপে জন্ম এবং তার থেকে প্রাপ্ত দুধ, মাখন, ঘি ভগবানের সেবায়, ভোগে বা তাঁর পূজা অর্চনায় ব্যবহৃত হলে তার পশু যোনী বা গর্ভ থেকে মুক্তি ঘটে। সুতরাং গো-যোনিতে জন্ম লাভ পশুর মধ্যে শ্রেষ্ঠ। গো-র শেষ আর পশু জন্ম নেই।)
⛔অবশেষে ৪ লক্ষ প্রকারের প্রজাতির মনুষ্য যোনিতে জন্ম লাভ হয়।💙🌺🌾🙏🙏🙏
#হরে কৃষ্ণ।। 🌾🌺🌾🙏🙏🙏
🙏
কৃষ্ণ যেমন তাঁর পিতামাতারূপ বসুদেব দৈবকীকে কংসের গারদ হইতে লইয়াছিলেন, তেমনটি আপনাকে ও সত্যনারায়ন বেশন বন্ধন হইতে উদ্ধার করিয়া নিত্য ধামে লইয়া যাইবেন সন্দেহ নাই।"
—শ্রীশ্রী ঠাকুর রামচন্দ্রদেব
 
''ভাগ্য হইতেই সকল ভোগ মুক্ত করিয়া পরম আনন্দময় অভাব শূন্য সত্যপীরের স্থানে প্রাপ্ত দিবেন।
মেয়ের একটি ভাগ্য আছে। তাহান ভাগ্যানুসারে তিনি সকল পাইতেছেন ও পাবেন। আপনী সেই চিন্তা করিবার অধিকার যদি থাকিত তবে ত আপনী বাধা পাইতেন না। ভবিতব্যই সকল বিবাহের কর্তা তাহাছাড়া আর কাহারো কোন কত্তৃত্ব নাই জানিবেন।"
ভক্তিমতী রমণী শ্রীমতী অমিয়প্রভা গুহ মহাশয়াকে লিখা শ্রীশ্রীঠাকুরের পত্রাংশ
 
ভাগ্যই ফলদাতা ভাগ্যে শরীর গেহ সমাজ দেশ শত্রু মিত্র রোগ শোকাদি ভাগ্যফলের ফল জানিবেন। অতএব ভাগ্যে যখন যাহা ঘটে তাহার বেগ সঙ্গ করিয়া সত্যের আশ্রয়ে থাকিতে চেষ্টা করিবেন।"
ভক্তিমতী রমণী শ্রীমতী অমিয়প্রভা গুহ মহাশয়াকে লিখা শ্রীশ্রীঠাকুরের পত্রাংশ
"ভগবানের কৃপায় আপনি স্বয়ং কত্তৃত্বাভিমান ছাড়িয়া সকল অবস্থায় সত্যনারায়ণের অধিন হইয়া সকল ঋণ পরিশোধে সত্যনারায়নের সেবাপরা স্বরূপত্ব লাভ করুন ভগবান আপনার মঙ্গল করুন এই ত্রিলোকের মাঝে এমন কোন জীব নাই যে স্বস্ব ভাগ্যফল ছাড়িতে পারে।
ভক্তিমতী রমণী শ্রীমতী অমিয়প্রভা গুহ মহাশয়াকে লিখা শ্রীশ্রীঠাকুরের পত্রাংশ
 
"কর্ত্তা হইয়া সত্যকে ছাড়িয়া অসত্যকে অর্থাৎ অস্থায়ী প্রকৃতির তারতম্যের দ্বারা দেহ গেহ সংসারের অংশে পড়িয়া বিদ্যা বুদ্ধি ধন জন বৈভবাদি স্ব স্ব ভাগ্য নিয়া পড়িয়া থাকেন।সেই প্রকৃতি গুণের দ্বারা পরিত্রাণ ভিন্ন বুদ্ধিতে শান্তি অশান্তি জন্ম মৃত্যু এড়াইতে পারে না।"
ভক্তিমতী রমণী শ্রীমতী গীতারাণী গুহ মহাশয়াকে লিখা শ্রীশ্রীঠাকুরের পত্রাংশ।
"ভগবান সকলকেই সমান দেখেন কাহার কোন দোষগুণ দেখেন না।প্ররেব্ধেই ভোগ উদয় অস্ত করিয়া থাকেন।সত্যনারায়ণকে সর্ব্বদা সঙ্গে রাখিতে চেষ্টা করিবেন।তিনি ছাড়া জগতে বন্ধু বান্ধব কেহই নাই।।"
ভক্তপ্রবর ঁ দেবেন্দ্র চন্দ্র ধর মহাশয়কে লিখা শ্রীশ্রীঠাকুরের পত্রাংশ
"নাম চিন্তামনি কৃষ্ণ চৈতন্য রস বিগ্রহ
নিত্যশুদ্ধ নিত্যমুক্ত অভিন্নচেতা নাম ও নামী।"
(যেই নাম সেই কৃষ্ণ ভাব নিষ্ঠা করি
নামের সঙ্গেতে ফিরে আপনী শ্রীহরি।)
ভক্তপ্রবর ঁচারুদেব চৌধুরী এডভোকেট মহাশয়কে লিখা শ্রীশ্রীঠাকুরের পত্রাংশ
''তাহার কারণ সত্যের সেবা ভুলিয়া অসত্য অর্থাৎ অস্থায়ী প্রকৃতির গুণের রংয়ে প্রলুব্ধ হইয়া এই ভোগায়তন আয়ুঃর্ব্বেদ ঋণ-বদ্ধ দেহ পায়।অতএব অঋণী হইলেই অপ্রবাসী হইয়া এই ৮ম কালিয় জরা মৃত্যু জন্ম ব্যাধির সীমা পার হইয়া যায় ইহাকেই আয়ুঃর্ব্বেদীয় ঋণমুক্ত বলিয়া থাকে।
সত্যং পরং ধীমহী—এই বেদবাক্য।"
ভক্তপ্রবর ঁচারুদেব চৌধুরী (এডভোকেট) মহাশয়কে লিখা শ্রীশ্রীঠাকুরের পত্রাংশ
 
 
 
 
"নাম চিন্তামনি কৃষ্ণ চৈতন্য রস বিগ্রহ নিত্যশুদ্ধ নিত্যমুক্ত অভিন্নচেতা নাম ও নামী।"
(যেই নাম সেই কৃষ্ণ ভাব নিষ্ঠা করি নামের সঙ্গেতে ফিরে আপনী শ্রীহরি।)
ভগবানে নামে অভেদ অতএব নামকেই সত্য বলে, নামের রূপ শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য মহাভাব বলে, নামই সত্য তার প্রকাশত্য নিত্যানন্দ (অবিচ্ছেদ আনন্দ) সংসার বলতে সত্যকে (নামকে) কেই সার অর্থাৎ উদ্ধার কর। যত বাসনা তত নাম। ততই ভাগ ভোগের দ্বিগুণ ভোগ। এই ভোগদান করিতে হইলে অবস্থার বেগ ধৈর্য্য ধরিতে চেষ্টা করিতে হয়। তুলসী পত্রের যোগে ভোগ দান হয়। "তুল্য নিন্দা স্তৌতিমুনী সন্তুষ্ট যেন কেন চিৎ তুল্য সমান জ্ঞান ভালতে মন্দতে সুখে-দুঃখে সমান বোধ হইলেই ভোগ দান হয়।। নামেরও কোন পার্থক্য থাকে না।। যতদিন নামির বিয়োগ থাকে ততদিন নামের ভোগ মুক্ত হয় না।।
কর্তা হইয়া কৰ্ম্ম করিতে গেলে কৰ্ম্ম শেষ হয় না তাকে দক্ষযজ্ঞ, এখানে শিব (শুভ) সতী (সং) থাকে না। নাম বিশৃঙ্খলা হইয়া পরে শ্রীভ্রষ্টা হয় জানিবেন।"
 
 
 নাম-শব্দটির অর্থ হইয়াছে চিন্তা; চিন্তাকে ধ্যান বলে অবিচ্ছেদ ধ্যান হইলে জ্ঞান হয় অর্থাৎ অবিদ্যামুক্ত হয়। এই জ্ঞান শূন্ন হইলে ভক্তি হয়। এই ভক্তির গাঢ়তাই মহাভাব অর্থাৎ অভিন্ন হয় নামে নামী এক হয়। বিয়োগ হয় না।
 
 
 
ভগবান আপনার পরিণাম নিত্যমুক্তের বিধান স্থাপন করিয়াই নিত্য সত্ত্বা লাভের আশীর্ব্বাদযুক্ত ভক্তি প্রদান করেন। তাহাই সর্ব্বদা জাগিয়া থাকে এবং নিত্যলক্ষ্যে রাখে। প্রাক্তনীয় শরীরের ঋণগত ভগবানের উদয়াস্ত যজ্ঞভাগ ভোগ করিতে কোন বাধ দেয় না তাতেই মনের বুদ্ধির চাঞ্চল্য ঘটিয়া থাকে।
বেদবাণী (১/১৩২)
শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর
 
 
ভগবান আপনার পরিণাম নিত্যমুক্তের বিধান স্থাপন করিয়াই নিত্য সত্ত্বা লাভের আশীর্ব্বাদযুক্ত ভক্তি প্রদান করেন। তাহাই সর্ব্বদা জাগিয়া থাকে এবং নিত্যলক্ষ্যে রাখে। প্রাক্তনীয় শরীরের ঋণগত ভগবানের উদয়াস্ত যজ্ঞভাগ ভোগ করিতে কোন বাধ দেয় না তাতেই মনের বুদ্ধির চাঞ্চল্য ঘটিয়া থাকে।
বেদবাণী (১/১৩২)
শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর
 
 
 
জয় রাম জয় গোবিন্দ।
বন্ধুরা সবাইকে জানাই শুভ দুপুরের একরাশ আন্তরিক শুভেচ্ছা।সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন নামে থাকবেন। 🙏🙏🙏

No comments:

Post a Comment

  আজ হইতে আমার সমস্ত সন্দেহের অবসান হইল । শ্রীশ্রী ঠাকুরের চরণ ধরিয়া বার বার ক্ষমা ভিক্ষা করিলাম । : - - রোহিণী কুমার মজুমদার । জয় রাম ...